ছাত্রলীগ আপনাকে পেটাতে পেটাতে ভিপি বানিয়ে দিয়েছে, উত্তরে যা বললেন নুর !!

0
115

ছাত্রলীগ আপনাকে পেটাতে পেটাতে ভিপি বানিয়ে দিয়েছে আর আবরারকে পিটিয়ে মেরেই ফেলল এ কেমন ছাত্রলীগ? এটা কেমন ছাত্র সংগঠন? নব্বইয়ের পরে কি ছাত্র সংগঠন গুলোর মুখ উজ্জ্বল করার আর কোন ভূমিকা নাই। যে ছাত্রলীগ বাংলাদেশের গৌরব, ঐতিহ্য, সেই ছাত্রলীগ কেন হবে সন্ত্রাসী লীগ, কেন মানুষ এই অভিযোগ তুলবে?

সম্প্রতি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের টু দি পয়েন্ট অনুষ্ঠানে, উপস্থাপক সোমা ইসলাম ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুরকে এমন প্রশ্ন করেন। এ প্রশ্নের জাবাবে ভিপি নূর বলেন, আপনি যে কথাটি বলছিলেন হয়তো স্বাভাবিকভাবে কিন্তু আমার গায়ের পশম দাঁড়িয়ে গেছে। আপনি যেটা বলছেন যে, পিটিয়ে পিটিয়ে ভিপি বানিয়েছে। আরবার হয়তো মরে গেছে, আমার হয়তো ভাগ্য ভালো আমি সেদিন বেঁচে গিয়েছিলাম। কারণ আমার উপর একবার নয় এ পর্যন্ত আট বার হামলা হয়েছে।

ডাকসুর ভিপি হওয়ার পরেও পাঁচবার এবং ৩০ জুন গতবছরে যে হামলা হয়েছিল সেদিন আমি একা ছিলাম। সেখানে লাইব্রেরীর সামনে সমস্ত মিডিয়ার উপস্থিতিতে প্রকাশ্যভাবে আমার উপর ন্যাক্কারজনক হামলা করেছিল। তার কোন বিচার হয়নি কিন্তু বিচার হয়নি কেন? কারণ ছাত্রলীগকে এই লাইসেন্স দেয়া হয়েছে যে, ক্যাম্পাসে যারা ভিন্নমতের কাজ করে কিংবা ভিন্ন মতের রাজনীতি করে বা সরকারের সমালোচনা করে তাদেরকে পেটানোর জন্য আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগকে লাইসেন্স দিয়েছে। যে কারণেই আজকে আবরারকে মারা হয়েছে।

কেন আবরার মারা গেছে? আপনি যদি দেখেন তার সর্বশেষ ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে এই কাণ্ড। কিছু দিন আগে আমাদের সরকার ভারতের সাথে যে, স্বার্থবিরোধী চুক্তি করেছে আমরা ছাত্র সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। আমি নিজে স্ট্যাটাস দিয়েছি। সেই স্ট্যাটাসকেই কেন্দ্র করে যে, এই স্ট্যাটাস আওয়ামী লীগের পক্ষের লোকজন দেয়নি সুতরাং আবরারকে মারা লাগবে। তাহলে কি আবরার শিবির করে। এই অপবাদ দিয়ে তাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। আর তার বাবা তখন সেই প্রমাণ দিয়েছে আবরার শিবির করত না তার পরিবার আওয়ামী লীগ। এটা দ্বারা কিন্তু আবরারে বাবা আজকে শুধু বুয়েট কিংবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না।

বর্তমান বাংলাদেশের বাস্তব অবস্থাটা তুলে ধরেছে। আওয়ামী লীগ না হলে দেশে মানুষের অধিকার থাকবে না কিংবা মানুষের যে মৌলিক অধিকার মানবাধিকার সেটা মানুষ আশা করতে পারে না। ঠিক একইভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে যদি ছাত্রলীগ না করে কিংবা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরকে এভাবে আবরারের মত কিংবা তার চেয়ে ভিন্নভাবে তাদেরকে খেসারত দিতে হয় সেটা আমি ডাকসুর ভিপি দিয়েছি এবং অন্যান্য ছাত্রসহ অনেকেই দিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১০ সালের কথা ধরি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী আবু বক্কর সে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। ঢাকা মেডিকেলের মেধাবী ছাত্র রাজিব যিনি ছাত্রলীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তাকে মেরে ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এই হলো ছাত্রলীগের অবস্থা।

সূত্রঃ বিডি২৪লাইভ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here