২ ধ’র্ষকের লাশ দেখে কাঁদলেন ধর্ষীতার বাবা !!

0
94

মেহেদি লাগাতে গিয়ে ১২ বছরের এক শিশুর দুই ধ’র্ষক পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন। আর এই গণধ’র্ষণের শিকার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর দুই ধ’র্ষকের লাশ দেখে খুশিতে কেঁদে ফেললেন স্কুলছাত্রীর বাবা। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত দুই ব্যক্তি স্কুলছাত্রী গণধ’র্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামি ছিলেন।

নিহতরা হলেন-সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে আল আমিন (২৫) ও কামাল মিস্ত্রির ছেলে মঞ্জুর আলম (৩০)। তারা দুজনই ওই শিশু গণধর্ষ’ণ মামলার প্রধান দুই আসামি ছিলেন।

ঈদের আগের রাতে হাতে মেহেদি দিতে গিয়ে গণধ’র্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালের বিছানার শুয়ে কাতরাচ্ছে ষষ্ঠ শ্রেণির এক কিশোরী। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় বর্তমানে সে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে বাজার থেকে দুই মেয়ের জন্য মেহেদি কিনে এনেছিলেন ভোলা সদর উপজেলার উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর সিফলী গ্রামের কৃষক মো. হানিফ (৪০)। রবিবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় তিনি গরু বিক্রির টাকা আনতে শহরে যান। বাবা বের হয়ে গেলে দুই বোন রাত ৮টার দিকে পাশ্ববর্তী দুঃসর্ম্পকের আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রীর কাছে হাতে মেহেদি দিতে যায়। সেখানে আগে থেকেই অপেক্ষমাণ আল-আমিন (২৫) কিশোরীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে গিয়ে সহযোগী বখাটে যুবক মঞ্জুর আলম (৩০)কে সাথে নিয়ে তার হাত-পা ও মুখ কাপড় দিয়ে বেঁধে ফেলে। এই অবস্থায় দুইজন মিলে তাকে ধ’র্ষণ করে। পরে কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ধ’র্ষক আল-আমিন মাহফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম ধ’র্ষ’ণের আলামত পেয়েছেন বলে স্বীকার করে জানান, ধ’র্ষি’তার বয়স কম। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here