ধান কাটার অসাধারন এই মেশিনের কাজ দেখলে অবাক হবেন (ভিডিও)

ধান কাটার অসাধারন এই মেশিনের কাজ দেখলে অবাক হবেন

ভোলায় বন্ধ হয়ে গেছে খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম

ভোলার লালমোহনে প্রায় অঘোষিতভাবে বন্ধ হয়ে গেছে খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম (ওএমএস)। আশ্বিন ও কার্তিকের মঙ্গা মোকাবেলায় সরকার সারা দেশের গরীব জনগোষ্ঠীর জন্য খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম চালু করলেও তা সাড়া মেলেনি লালমোহনে।

এমনকি ভোলার অন্যান্য সাত উপজেলার কোথাও দরিদ্র মানুষরা খোলা বাজারের চাল গ্রহণ করেনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সুত্র।
খোলা বাজারে চাল বিক্রির স্থানীয় ডিলাররা জানিয়েছেন, ভোলা জেলার মানুষ সিদ্ধ চালের ভাত খেতে অভ্যস্ত। কিন্তু সরকার খোলা বাজারে দিয়েছে আতপ চাল। যার কারণে দরিদ্রদের কেউই আতপ চাল কিনেনি। সরকার খোলা বাজারে সিদ্ধ চাল না দেওয়ায় মঙ্গা মৌসুমে সাধারণ মানুষ দারিদ্রতার কষাঘাতের মধ্যেও বাজার থেকে ৪০-৪৫ টাকা দরে সিদ্ধ মোটা চাল কিনতে বাধ্য হয়েছে।

লালমোহন পৌর এলাকার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডিলার আবুল কাশেম জানান, প্রথম দিন ২ টন চাল উত্তোলন করে বিক্রি করতে ৩ মাস লেগেছে। তাও আবার পরিচিতজনদের ধরে ধরে ২৮ টাকা ৫০ পয়সা দরের চাল ২২-২৩ টাকা কেজি দরে ৫-১০ কেজি করে জোর করে দিয়েছি। প্রতি দিনের লেবার খরচ, দোকান ভাড়া দিয়ে এই আতপ চাল বিক্রি করতে গিয়ে উল্টা লোকসানে পরেছি। আতপ চালের চাহিদা না থাকায় এমন হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুরুল্লাহ জানান, চলতি বছরের আগষ্ট মাসে এই খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম চালু হয়েছে। সরকারী পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত খোলা বাজারে চাল বিক্রি কার্যক্রম চালু থাকার কথা। গত ২২ সেপ্টেম্বর লালমোহন পৌর শহরের ছয়জন ডিলারের মধ্যে মাত্র তিনজন ডিলার ২ দিন চাল উত্তোলন করে আর নেয়নি। বর্তমানে গুদামে ১১৭ টন আতপ চাল মজুদ রয়েছে। কিন্তু কোনো ডিলার এই আতপ চাল নিচ্ছেন না।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, ভোলার অন্যান্য উপজেলার গুদাম গুলোতে এ রকম প্রায় ৮৫০ টন আতপ চাল পরে আছে। এই চাল সরকারের ত্রাণ অধিদপ্তরের আওতায় বাস্তবায়িত টিআর-কাবিখা এবং আদর্শ গ্রামের মাটির কাজের প্রকল্পের জন্যও উত্তোলন করছে না সিপিসিরা। এখন এই আতপ চাল ভিজিডি সুবিধাভোগীদের মাঝে হয়ত বিতরণ হতে পারে।

Leave a Reply