প্রেমিকের কাছে ফিরতে চেয়ে আত্মঘাতী গৃহবধূ, অতঃপর…

শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হল গৃহবধূর৷ তবে এই ঘটনার পর বধূ নির্যাতনের কোনও অভিযোগ ওঠেনি৷ কিন্তু অভিযোগ করেছেন মৃতার শ্বশুরবাড়ির লোকজন৷ তাঁদের দাবি, সম্পর্কের টানাপোড়েনের পরই বছর ১৮-র ওই তরুণী আত্মহত্যা করেন৷

যদিও বিয়ের মাত্র আটমাস পর ঝর্ণা কাঁড়ার নামে ওই তরুণী কেন এই ঘটনা ঘটালেন, তা নিয়ে ধন্দ কাটেনি৷ তার বাপেরবাড়ির তরফে যদিও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করা হয়নি৷ কেউ কোনও অভিযোগও করেননি৷ তবে পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে৷

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির হাওড়ার ব্যাঁটরায়৷ আটমাস আগেই সেখানকার বাসিন্দা দীপরঞ্জন কাঁড়ারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়৷ শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের দাবি, বিয়ের মাত্র দু’দিন আগে ওই তরুণী তাঁদের জানান, বিয়ের আগে তাঁর এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল৷ কিন্তু সেই সম্পর্ক তাঁর বাপেরবাড়ির লোকেরা মেনে নেয়নি৷ তাই তাঁকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে৷

শ্বশুরবাড়ির দাবি, বিয়ে হলেও তিনি প্রেমিকের কাছেই ফিরতে চান বলে জানিয়েছিলেন ওই তরুণী৷ তার পরও দীপরঞ্জনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়৷ কিন্তু বিয়ের পর থেকেই অশান্তি শুরু হয়৷আর এ নিয়ে তাঁদের সঙ্গে বাদানুবাদও হয়েছিল বলে শ্বশুরবাড়ির পরিজনরা জানিয়েছেন৷ তাই মানসিক টানাপোড়েনেও ওই ঝর্ণা কাঁড়ার আত্মঘাতী হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে৷

তবে শ্বশুরবাড়ির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷ বিয়ের আগে ঝর্ণার প্রেমের কথা জেনেও কেন এ নিয়ে তাঁরা এগোলেন? কেন তাঁরা সেই সময়ই বিয়ে ভেঙে দিলেন না? এদিকে এ নিয়ে ঝর্ণার বাপেরবাড়ির তরফে কারও কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি৷ কেউ কোনও অভিযোগও দায়ের করেনি৷ তবে পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে৷ তদন্তের ক্ষেত্রে সবদিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই তরুণী৷ উৎস: কলকাতা।

Leave a Reply