যাদের ভিসার মেয়াদ ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শেষ হবে তারা কি করবেন ?? জেনে নিন !!

যাদের ভিসার মেয়াদ ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শেষ হবে তারা কি করবেন ?? যাদের ভিসার মেয়াদ ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শেষ হবে তারা কি করবেন ?? যাদের ভিসার মেয়াদ ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শেষ হবে তারা কি করবেন ?? যাদের ভিসার মেয়াদ ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শেষ হবে তারা কি করবেন ??

 

আরও পড়ুন …

লিবিয়ায় জনশক্তি রপ্তানিতে বাংলাদেশের আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত লিবিয়ার দূতাবাসের চার্জ দ্য আফেয়ার্স মাহমুদ এম এল সাল্লাবী। সোমবার রাজধানীর বাড়িধারায় লিবিয়া দূতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ সব কথা বলেন।সিএনএন এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয় আফ্রিকান অভিবাসীদের দাস হিসেবে নিলামে বিক্রি করার হচ্ছে লিবিয়ায়। এ বিষয় লিবিয়া সরকারের অবস্থান তুলে ধরার জন্য সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়।মাহমুদ এম এল সাল্লাবী বলেন, লিবিয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। লিবিয়ায় সকারি অফিস, বিভিন্ন কোম্পানি, হাসপাতালে বাংলাদেশি জনশক্তির চাহিদা রয়েছে।

লিবিয়া সরকার বাংলাদেশিদের সে দেশে স্বাগত জানাচ্ছে। লিবিয়া সরকারের পক্ষ থেকে সে দেশে যেতে কোন বাধা নেই। বাংলাদেশ সরকার চাইলের সেখানে জনশক্তি রপ্তানি করতে পারে।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশিরা যারা লিবিয়ায় আছে তারা ভালো আছে। আমার জানামতে কেউ কোনো সমস্যায় নেই।এর আগে লিবিয়ায় অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে দেশটিতে শ্রমিক পাঠানো বন্ধ রাখে বাংলাদেশ।

সাল্লাফি বলেন, সিএনএন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে লিবিয়ায় আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ অভিবাসীদের দাস হিসেবে নিলামে বিক্রির যে প্রতিবেদন এসেছে তার নিন্দা জানাচ্ছি। এমন কোন কাজ লিবিয়ায় হয় না। তবে এ ব্যাপারে আমরা তদন্ত করছি। লিবিয়ার আদালতের মাধ্যমে এ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে । এ ব্যাপারে কেউ তদন্ত করতে চাইলে লিবিয়া সরকার তাকে সহায়তা করবে। আমরা দাস প্রথা ও মানব পাচারের নিন্দা জানাই। লিবিয়া সরকার এ ব্যপারে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে।

জানা যায়, ২০১১ সালে মোহাম্মদ গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর লিবিয়া গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে নিপতিত হওয়ার পাশাপাশি ইউরোপগামী সাব সাহারান আফ্রিকানদের এক বিশাল ট্রানজিট কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ১৫ লাখেরও বেশি উদ্বাস্তু লিবিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশ করেছে।

সাগর পথে অবৈধভাবে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি শ্রমিক পাচারের ঘটনায় বিশ্ব যখন তোলপাড়, ঠিক তখনই একই অভিযোগ এনে যখন বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করার ঘোষণা দেয় লিবিয়া।

বাংলাদেশ থেকে কাজের জন্য লিবিয়া গিয়ে, সেখান থেকে অবৈধভাবে নৌপথে ভূমধ্যসাগার পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টার অভিযোগে দেশটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছিলেন লিবিয়া সরকারের মুখপাত্র হাতেম উরাইবি।

Leave a Reply