কী কারণে এমন দশা স্কুল ছাত্রী ফাতেমার !!

ভোলায় স্কুল ছাত্রীকে ভারসাম্যহীন করার খলনায়ক খলিল রাস্তায় ঘুরছে। ৫ লাখ টাকা দাবী করে হুমকী দিয়ে যাচ্ছে স্কুল ছাত্রী ফাতেমার পরিবারকে। বলছে টাকা না দিলে পরিবারের কেউ রেহাই পাবে না। যে কোন মুহুর্তে ঘটে যেতে পারে করুন দূর্ঘটনা। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কেউ ওই স্কুল ছাত্রীর পাশে দাড়ায়নি এমন অভিযোগ ভারসাম্যহীন ফাতেমার পরিবারের।

উল্লেখ্য, ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়ার ৮ নং ওয়ার্ডের ছোট আলগী গ্রামের ইলিয়াস মিয়ার মেয়ে স্কুল ছাত্রী ফাতেমকে পৌর এলাকার মহিলামাদ্রসা সড়কের মৃত আবু তাহেরের ছেলে খলিল ভালবাসার পর বিয়ের কথা বলে মোটা অংকের টাকা দাবী করেছে । এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা না দিলে যাদুর প্রভাব দিয়ে ফাতেমাকে পাগল করার হুমকী দিয়ে যায় খলিল। এর কয়েকদিনপর থেকেই ভারসাম্যহীন হয়ে যায় ফাতেমা।

এদিকে টাকা না পেলে বিয়ে করবে না এমন হুমকীতে মানুসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে ওই স্কুল ছাত্রী ফাতেমা। মান সম্মানের ভয়ে ভারসাম্যহীন ওই ছাত্রীকে শিকল দিয়ে বেধে বছর যাবৎ ঘরের ভিতর আটকে রাখা হয়।

এ কারনে ২০১৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা দেয়া হলো না দুই বোন ফাতেমা ও পান্নার। লেখা পড়া ছেড়ে দিয়ে অসুস্থ বোনের সেবা করছে একই ক্লাসে ছাত্রী পান্না। প্রায় দেড় বছর যাবত ফাতেমার চিকিৎসা করিয়ে ব্যাপক অর্থ সংকটে পরেছে ফাতেমার অসহায় পরিবার। এ ব্যাপারে ফাতেমার মা জড়িনা জানায়, দেড় বছর যাবত চিকিৎসা চালাতে খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকা।

এব্যাপারে স্থানীয় মো. জাকির ও মো. ইউসুফ বলেন, ফাতেমা অবস্থা দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এখনি যদি এই মেয়েটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না নেয়া হয় তা হলে মেয়েটি মারা যাবে। তার কষ্টে আমাদের বুক ফেটে যায়। কিন্ত কি করবো বলেন এই ফাতেমার বাবা মো. ইলিয়াস এতো গরীব তার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব না।

এব্যাপারে খলিলের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে বলে, আমার কিছুই করার নেই মেয়ে বাচুক নাইলে মরুক তাতে আমার কিছুই আসে যায় না। মেয়ে বাবা যা পারে তা করুক ।

Leave a Reply