Health

জেনে নিন করোনা থেকে রক্ষা পেতে যা করবেন !!

চীনের উহান শহর থেকে শুরু হওয়া করোনা ভা’ইরাস ইতোমধ্যে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের ৬৪ জেলায়ও এ ভা’ইরাস সংক্রমণ শুরু করেছে। দেশে এখন পর্যন্ত করোনা ভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২০৬ জন। এ পর্যন্ত আ’ক্রান্ত হয়েছেন ১৩,১৩৪ জন। তাই এ মহামারী ভা’ইরাস থেকে মুক্তি পেতে হলে বেশকিছু মেনে চলতে হবে আপনাকে। তাহলেই কেবল আপনি এ ভা’ইরাস থেকে নিজে, পরিবার ও আপনার কাছের সবাইকে সুস্থ রাখতে পারবেন। তাহলে চলুন জেনে নেই কিভাবে এ ভা’ইরাস থেকে বাঁচতে আমাদের করণীয় কি?

১। ঘর থেকে বের না হওয়া:- এ ভা’ইরাস থেকে বেঁচে থাকতে হলে সর্ব প্রথম আপনাকে অযথা ঘরের বাইরে যাওয়া যাবে না। দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তদের দেয়া সকল নির্দেশানা মেনে চলতে হবে। প্রয়োজনে বাইরে বের হলে মাস্ক পরুন।

২। বারবার হাত ধোয়া:- ঘন ঘন নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে হাত ধুতে হবে। হাত ধোবেন আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল মেশানো হ্যান্ডওয়াশ বা সাবান দিয়ে।

৩। লোকসমাগম এড়িয়ে চলুন:- বিদেশ ভ্রমণ ও প্রবাস থেকে আসা লোকজনের সঙ্গও এড়িয়ে চলুন। অন্যের থেকে অন্তত ৩ ফিট দূরত্বে থাকুন। যেখানে সেখানে কফ বা থুতু ফেলা বন্ধ করুন।

৪। গণপরিবহন: গণপরিবহন এড়িয়ে চলুন। বাস, ট্রেন কিংবা অন্য যেকোন ধরণের পরিবহনের হাতল কিংবা আসনে করোনাভা’ইরাস থাকতে পারে। সেজন্য যে কোনো পরিবহনে চলাফেরার ক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা এবং সেখান থেকে নেমে ভালোভাবে হাত পরিষ্কার করা।

৫। কর্মক্ষেত্র:- অফিসে একই ডেস্ক এবং কম্পিউটার ব্যবহার করলেও ভা’ইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। হাঁচি-কাশি থেকে করোনাভা’ইরাস ছড়ায়। যে কোনো জায়গায় করোনাভা’ইরাস কয়েক ঘণ্টা এমনকি কয়েকদিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। অফিসের ডেস্কে বসার আগে কম্পিউটার, কিবোর্ড এবং মাউস পরিষ্কার করুন। বাংলাদেশে বিভিন্ন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যখন গ্রাহকরা যায় তখন অনেকেই একটি কলম ব্যবহার করেন। করোনাভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত কোনো ব্যক্তি যদি সে কলম ব্যবহার করে তাহলে পরবর্তী ব্যবহারকারীদেরও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে। সেজন্য নিজের কলম আলাদা করে রাখতে পারেন। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। এছাড়া টাকা উত্তোলনের জন্য যে এটিএম বুথ ব্যবহার করা হয়, সেখান থেকেও সংক্রমণ হতে পারে। সে বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করুন। ভা’ইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে আরেকটি জায়গা হতে পারে বাড়ি কিংবা অফিসের লিফট। লিফট ব্যবহারের সময় নির্ধারিত ফ্লোরে যাবার জন্য লিফটের বাটন অনেকে ব্যবহার করছেন। বিভিন্ন অফিস ভবনে প্রতিদিন শত-শত মানুষ লিফট ব্যবহার করছেন। এদের মধ্যে কেউ যদি করোনাভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত রোগী থাকেন এবং সে লিফটের বাটনে অন্যদের আঙ্গুল গেলেও সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে। তাই যতটা সম্ভব লিফট এড়িয়ে চলাফেরা করুন।

৬। টাকা-পয়সা: ব্যাংক নোট বা টাকায় নানা ধরনেণের জীবাণুর উপস্থিতি শনাক্ত করার ঘটনা নতুন নয়। এমনকি ব্যাংক নোটের মাধ্যমে সংক্রামক নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে টাকা-পয়সার ব্যবহার সাবধানে করবেন। হাতে গ্লাভস পড়ে টাকা আদান-প্রদান করুন।

৭। করমর্দন ও কোলাকুলি:- করমর্দন এবং কোলাকুলির মাধ্যমেও করোনাভা’ইরাস ছড়াতে পারে। আপনি যে ব্যক্তির সাথে কোলাকুলি এবং করমর্দন করছেন, তিনি যদি করোনাভা’ইরাসে আ’ক্রান্ত হন তাহলে সেটি অন্যের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। এজন্য করমর্দন এবং কোলাকুলি থেকে বিরত থাকুন।

J A Suhag

Local News: J A Suhag writes Local News articles for industries that want to see their Google search rankings surge. His articles have appeared in a number of sites. His articles focus on enlightening with informative Services sector needs. he holds the degree of Masters in Business and Marketing. Before he started writing, he experimented with various professions: computer programming, assistant marker, Digital marketing, and others. But his favorite job is writing that he is now doing full-time. Address: 44/8 - North Dhanmondi, Dhaka Email: [email protected]

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button